খুলনা, বাংলাদেশ | ১লা শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ১৬ই জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

Breaking News

  ডুমুরিয়া সদর ইউনিয়নের উন্নয়নের প্রত্যয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোল্লা আবরার হোসেন সৈকতের দোয়া ও সমর্থন কামনা
  ১১ বছরের পথচলায় খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়: উৎসবের সঙ্গে নতুন স্বপ্নের অঙ্গীকার
  খর্নিয়া ইউপি নির্বাচন ঘিরে সরগরম রাজনৈতিক অঙ্গন, তৃণমূলের আলোচনায় বিএনপি নেতা শেখ শাহিনুর রহমান
  দাকোপে ৩ দিনের ভারী বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত জনজীবন।
  ডুমুরিয়ার খর্নিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় বি এনপি নেতা আবুল কাশেম
  ‎ডুমুরিয়ায় ভদ্রানদী খননের মাটি বিক্রি সিন্ডিকেট আবারও সক্রিয়, প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন বিদ্ধ জনগণ
  উখিয়ায় ইয়াবাসহ ৪ ভাই-বোন আটক
  দাকোপ উপজেলা নবগঠিত যাত্রা শিল্পী পরিষদের পরিচিতি সভা
  ডুমুরিয়ায় সরকারি রাস্তা দখল করে ভাড়াটিয়া দোকানদারদের পসরা: চরম ভোগান্তিতে চালক ও সাধারণ মানুষ
  তেরখাদায় উন্নয়ন কার্যক্রম পরিদর্শনে এমপি হেলাল, আবনালী বিলে পোনা অবমুক্ত

জোরপূর্বক টাকা ছিনিয়ে নেওয়া, প্রতারণা, মারধরের বিচার এবং দেড় লাখ টাকা ফেরতের দাবীতে সংবাদ সম্মেলন

[ccfic]

খানজাহান আলী থানা প্রতিনিধিঃ

জমি কেনাবেচাকে কেন্দ্র করে প্রতারণা, জোরপূর্বক টাকা ছিনিয়ে নেওয়া,প্রতারণা এবং টাকা আত্মসাতের অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করেছেন এক ভুক্তভোগী নারী। সাথী আক্তার নামের ঐ নারী এ ঘটনায় গত ৯ জুলাই খুলনার পুলিশ সুপারের কাছে লিখিত অভিযোগও জমা করেছেন।সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী সাথী আক্তার অভিযোগ করেন, দিঘলিয়া উপজেলার বাসিন্দা মনিরা খানমের সঙ্গে দীর্ঘদিনের পরিচয়ের সূত্রে ২০২২ সালে দিঘলিয়ার দেবনগর মৌজায় আড়াই শতক জমি ও দুই তলা ভবনসহ একটি সম্পত্তি কেনার বিষয়ে চুক্তি হয়। সম্পত্তির মূল্য নির্ধারণ করা হয় ১৫ লাখ টাকা। বিভিন্ন সময়ে তিনি মনিরা খানমকে মোট ১ লাখ ৬২ হাজার টাকা প্রদান করেন এবং পরে ২০২২ সালের ১ জানুয়ারি জমিটি তার নামে রেজিস্ট্রি করা হয়। বাকি টাকা পরিশোধের জন্য তাকে পাঁচ বছর সময় দেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।ভুক্তভোগীর দাবি, জমি রেজিস্ট্রির পর থেকেই মনিরা খানম বিভিন্নভাবে অতিরিক্ত টাকার জন্য চাপ সৃষ্টি করতে থাকেন। এর মধ্যে চাকরি হারানোর পর ২০২৫ সালের ১০ এপ্রিল তার বাসায় গিয়ে পাঁচ লাখ টাকা দাবি করা হয়। পরে মনিরা খানম তার ভাইয়ের নামে সম্পত্তি ফিরিয়ে দেওয়ার প্রস্তাব দিলে ৪ লাখ ৭০ হাজার টাকা দেওয়ার আশ্বাস দেন। এ প্রস্তাবে রাজি হয়ে স্ট্যাম্পে চুক্তি স্বাক্ষরের পর ধাপে ধাপে তাকে মোট ৪ লাখ ৭০ হাজার টাকার মধ্যে ১ লাখ ও পরে ৩ লাখ ৭০ হাজার টাকা দেওয়া হয়।অভিযোগে আরও বলা হয়, চলতি বছরের ৮ জুলাই দিঘলিয়া সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে রেজিস্ট্রি কার্যক্রম শেষে বাড়ি ফেরার পথে বাজারের সামনে প্রায় ২৫ থেকে ৩০ জন ব্যক্তি তার গতিরোধ করে। এ সময় তার কাছ থেকে ৩ লাখ ৭০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেওয়া হয় এবং তাকে ও তার স্বজনদের মারধর করা হয়। পরে দিঘলিয়া থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে উভয় পক্ষকে থানায় নিয়ে সমঝোতার চেষ্টা করে। সেখানে অভিযুক্ত পক্ষ দাবি করে, টাকাটি তাদের পাওনা ছিল। একপর্যায়ে চাপের মুখে ভুক্তভোগীকে নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর করিয়ে ৩ লাখ ৭০ হাজার টাকার মধ্যে মাত্র ২ লাখ ২০ হাজার টাকা ফেরত দেওয়া হয়। এখনও তার ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা বকেয়া রয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং আত্মসাৎ হওয়া অবশিষ্ট ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা উদ্ধারে পুলিশ প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

আরও সংবাদ

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

©2025 khulnarsamayerkhobor .com

Developed By: ShimantoIT